খোদা আমার কপালে দুঃখ লিখে রেখেছেন শত শত
আর সেই সব দুঃখ সহ্য করার মতো
আমাকে দিয়েছেন মাত্র একটা হৃদয়।
এই হৃদয়টা খুব ছোট, খুব নরম।
একটার পর একটা আঘাতে
এটা আর্তনাদ করে,
তবুও ভাঙে না—
কারণ ভেঙে গেলে তো
আর কাঁদার সুযোগও থাকতো না।
আমি প্রতিদিন কিছু দুঃখ
চুপচাপ গিলে ফেলি,
কিছু দুঃখ রাতের বালিশে রেখে দিই,
আর কিছু দুঃখ এমনভাবে বুকের ভেতর জমে থাকে
যার কোনো ভাষা হয় না—
শুধু নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে।
খোদা হয়তো ভেবেছিলেন,
আমি পারবো।
তাই একটার পর একটা বোঝা চাপিয়েছেন—
ভালোবাসার দুঃখ,
বিশ্বাসের দুঃখ,
না-পাওয়ার দুঃখ,
আর মানুষের মতো না হতে পারার দুঃখ।
এই একটা হৃদয়েই
আমি সবাইকে জায়গা দিয়েছি,
নিজেকে রাখার জায়গা রাখিনি।
তাই তো এতটা ব্যথা হলে
কেউ টের পায় না—
আমি শুধু একটু চুপ হয়ে যাই।
তবুও খোদা,
যদি কখনো দয়া করে তাকাও—
এই ক্লান্ত হৃদয়টার দিকে তাকিও।
শত শত দুঃখের ভার বইতে বইতে
এটা আজ শুধু একটা প্রার্থনা হয়ে গেছে—
আর কিছু না,
শুধু একটু শান্তি চায়।