প্রিয়তমার গলির রাস্তা ধরেই
একদিন আমার জানাজা বের হবে।
যে পথে একদিন আমি অপেক্ষা নিয়ে হেঁটেছি,
আজ সেই পথেই আমাকে নিয়ে যাবে
নীরব কাঁধ আর চাপা দীর্ঘশ্বাস।
সে হয়তো জানবেও না—
এই মৃত মানুষটা কোনো এক সময়
তার নামেই বেঁচে ছিল।
তার জানালার আলো গুনে
রাত পার করতো,
তার একটুখানি হাসির জন্য
নিজেকে প্রতিদিন ভেঙে দিত।
জানাজা যাবে,
আর আমি শুয়ে থাকবো নিঃশব্দে—
আর কোনো অভিযোগ নেই,
আর কোনো “কেনো” নেই।
যে বুকটা একসময় তার নামে ধড়ফড় করতো,
সেটা তখন শান্ত,
ভয়ংকর রকম শান্ত।
হয়তো সে দূর থেকে তাকাবে,
চিনতেও পারবে না।
চিনলেও কিছু বলবে না—
কারণ মৃত ভালোবাসার সাথে
কথা বলা যায় না।
তবুও,
প্রিয়তমার গলির এই রাস্তা জানবে—
এই লাশটা কোনোদিন
অপরাধী ছিল না,
শুধু খুব বেশি ভালোবেসেছিল।
আর জানাজা চলে গেলে,
রাস্তাটা আবার আগের মতো হয়ে যাবে।
শুধু বাতাসের ভেতর
একটা নাম কাঁপতে থাকবে—
যে নামটা কোনোদিন
তার ছিল না,
তবুও তার জন্যই
সবচেয়ে বেশি মরেছিল।